PC IDEA


কম্পিউটর নিয়ে আজ আর নতুন করে কিছু বলার নেই৷ কম্পিউটর আধুনিকতার অন্যতম বাহক‚ জীবনযাত্রার নিত্য সঙ্গী৷ এর ব্যবহার আমাদের জীবনযাত্রাকে দিয়েছে ভিন্নমাত্রা৷ আমাদের পড়াশুনোর সাথে এর আর নতুন কোন পরিচয় নেই৷ এমনকী ভাষাজ্ঞান কিংবা বানানের প্রয়োজন নেই৷ আর তা যে ভাষাতেই হোক না কেন সবটুকুই একাই করবে কম্পিউটর৷ এ সবই হয়তো পুরোনো৷ এর সম্ভাবনা যেন অনাবিল৷ এর এই সম্ভাবনারবিকাশ ঘটিয়েছে ইন্টারনেট মাধ্যম৷ এই মাধ্যম সমস্ত পৃথিবীর মানুষের সৃষ্টির‚ ভাবের পারস্পরিক আদান প্রদান সম্ভব করেছে৷ ক্রমে ক্রমে আমাদের জীনযাত্রার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠছে ইন্টারনেটএবং আনুষঙ্গিক ওয়েব সার্ভিস৷ গত কয়েক শতাব্দী আগেও যা ছিল অকল্পনীয় আজ তাই আমাদের কুক্ষিগত৷অবশ্য একথা অস্বীকারের কোন উপায় নেই যে‚ যে কম্পিউটর আজ সমস্ত জায়গায় ছেয়ে গেছে তাকেও এক সময় মানুষ মেনে নিতে পারেনি সহজে৷ মনে হয়েছিল এই যন্ত্র বাড়িয়ে দেবে বেকার সমস্যা৷ কিন্তু এখন কম্পিউটরের সৌজন্যেই চাকুরীর সুযোগ বেড়েছে৷তাই কম্পিউটরও আমাদের সমাজের মানুষের কাছে আজ অনেক বেশী গ্রহণযোগ্য৷তবু কিছুটা ভয় বা আশঙ্কা এখনও রয়েই যায়৷ মনে হয় এ যেন তবু অচেনা৷ আর তাই অনেকেই এর সম্বন্ধে জানতে ভীষণ আগ্রহী৷ কেউ নতুন জীবিকার সন্ধানে‚ কেউবা আধুনিক পৃথিবীকে চেনার আগ্রহে আবার কেউ কেউ প্রবাসী আত্মীয়ের সাথে যোগাযোগের সুলভ উপায় হিসাবে ব্যবহার করতে চান কম্পিউটরকে‚ আর তাই বিভিন্ন বয়সী মানুষের কাছেই আজ খুব আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে এই যন্ত্র৷

 এইসব আগ্রহী পাঠকদের জন্যইআমাদের এই প্রচেষ্টা৷ এই ছোট্ট পত্রিকার মাধ্যমে আমরা ছড়িয়ে দিতে চাই সাইবার জগতের বহু অজানা তথ্য‚ সাহায্য করতে চাই নতুন প্রজন্মকে তাদের জীবিকা বেছে নিতে বা কম্পিউটরের বিভিন্ন পাঠ্যক্রম সম্পর্কে ওয়াকিবহাল করতে৷ এর সাথে রয়েছে চিঠিপত্র বিভাগ৷ কম্পিউটরের সফটওয়্যার ওহার্ডওয়্যার সম্পর্কিত যে কোন সমস্যা পাঠকরা লিখে পাঠাতে পারেন৷ আমরা সাধ্যমত উত্তর দেবার চেষ্টা করব৷ হয়তো অনেকেরই মনে হতে পারে এই পত্রিকা বাংলায় কেন? আসলে কম্পিউটর আজ আর কোনকিছুর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়‚ তা ছড়িয়ে পড়েছে বাঙালী সমাজেও৷ তাই এদেশে প্রচুর ইংরেজী কম্পিউটর ম্যাগাজিন থাকলেও বাংলা ভাষায় কম্পিউটরের পত্রিকার সংখ্যা আজও কম৷ তাই বাঙালী পাঠকের আজ কম্পিউটর সম্বন্ধে আগ্রহ কম না থাকলেও কোন কোন ক্ষেত্রে ভাষা যেন হয়ে ওঠে অন্তরায়৷ আর তাই প্রযুক্তি ও ভাষার এই অপূর্ব মেলবন্ধনের মাধ্যমে আমরা পৌঁছে যেতে চাই সহূদয় বাঙালী পাঠক সমাজের অন্দরমহলে‚ দিতে চাই প্রযুক্তির নানা খবর তাদের মত করে৷ হয়তো তথ্যে ভুল – ত্রুটি থাকতে পারে৷ তবু আমরা কম্পিউটর সায়েন্সের ছাত্রছাত্রীরা আমাদের অধ্যাপক এবং অধ্যাপিকাদের স্নেহ ও আশীর্বাদকে সঙ্গে নিয়ে এই সংখ্যা প্রকাশকরছি

গ্রীকশব্দ“Compute”থেকেঅধুনাComputerশব্দেরউৎপত্তি। আবার ল্যাটিনশব্দComputareও থেকেComputerশব্দের উৎপত্তি।যার আর্থ গণনা করা, সেই দিক খেকে চিন্তাকরলে এর অর্থ গণনা কারী যন্ত্র বিশেষ। যেমন :-Calculator, Counter, Conductor.কম্পিউটারের আবিষ্কারচার্লসব্যাবেজনামক একজন ইংরেজ গনিতবিদ ১৮৩০ সালে প্রথম এনালগ কম্পিউটার আবিষ্কার করেন।এরপর হাবাড বিশ্ববিদ্যালয়ের 'হাউয়ারর্ড একিন' একটি ম্যাকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরী করেন। পড়বর্তীতে ডিজিটাল কম্পিউটার আবিষ্কৃত হয় যাম্যাকানিক্যাল কম্পিউটার থেকে ২০০ গুন গতি সম্পন্ন এবং সেটি ধীরে ধীরে উন্নতহয়ে আজকের কম্পিউটার।লর্ড বায়রনের মেয়ে 'লেডী এ্যাডা আগাসটা' পৃথিবীর প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামারটি তৈরী করেন।কম্পিউটার এর সংজ্ঞাঃকম্পিউটার হলো একগুচ্ছ বৈদুতিক তরঙ্গকে নিজস্ব সংকেতে রুপান্তর করে ব্যবহারকারী কর্তৃক প্রয়োগকৃত কমান্ডের সাহ্যাযে্য উদ্ভূ সমস্যার সমাধান করে থাকে"।কম্পিউটারের বৈশিষ্ট :কম্পিউটার নির্ভুল ফলাফল ,দ্রুতগতি, ডাটা সংরক্ষন, স্বয়ংক্রিয় কর্মক্ষতা, সহনশীলতা,স্মৃতি বা মেমরী, ইত্যাদি বৈশিষ্ট বিদ্যমান।কম্পউটারের ব্যবহার :ঘর থেকে শুরু করে অফিস-আদালত এমন কোন জায়গায় খুজে পাওয়া যাবে না যেখানে কম্পিউটার ব্যবহার হয় না, অফিসের কাজে , ব্যবসার-বাণিজে্য, স্কুলে-কলেজে-বিশ্ববিদ্যালয়ে, বিভিন্ন ধরনেরপ্রোজেক্ট , শিল্প-কারখানায়, খেলাধুলা,চিত্তবিনোদনে, দোকান পাট, ব্যাং-ইন্সুরেন্স কোম্পানী, আবহাওয়া অফিস, মহাশুন্য স্টেশন-ইত্যাদি সকল ক্ষত্রে  কম্পিউটার ব্যবহার হয়।Computerএর শ্রেণী বিভাগ ?কাজের পরিমাপ অনুজায়ী কম্পউটারকে ৩ টি শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে :1: Digital Computer2: Analog Computer3: Hybrid ComputerDigital Computer:গানিতিক ও যুক্তিগত কাজে এই ধরণের কম্পিউটার বেশি বব্যহৃত হয়ে থাকে। বর্তমানে বাজারে প্রচলিত প্রায় সকল কম্পিউটারই ডিজিটাল কম্পিউটার । আকার ও ক্ষমতা অনুসারে ডিজিটাল কম্পিউটারকে পাচ ভাগে ভাগ করা যায়:1.Grid Computer2.Super Computer3.Mainframe Computer4.Mini Computer5.Micro Computerআমরা সাধারনত যেধরনের  কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকি সেগুলো হচ্ছেmicro computer। মাইক্র কম্পিউটার কে আবার ৬ টি ভাগে বিভক্ত।যেমন :-1.Desktop Computer2.Laptop Computer3.Palmtop Computer4.Notebook Computer5.Pocket Computer6.Home ComputerAnalog Computer:গ্রাফ/চিত্রে ফলাফল অর্জন কর হয় এই ধরনের কম্পউটারের মাধ্যেম।তেল শোধনাগারে তেল উৎপাদনের হিসাব, বিদু্যৎ উৎপাদন কেন্দ্রে বিদু্যৎ উৎপাদনের হিসাব, ইত্যাদি কাজে এনালগ কম্পিইটার ব্যবহার করা হয়।Hybrid Computer:বৈজ্ঞানিক জটিল সমস্যার সমাধানে এ ধরনের কম্পিউটার কার্যকরি ভুমিকা অবলম্বন করে। পারমানুবিক শক্তিউৎপাদন প্লান্ট. মহাকাশযান, যুদ্ধে ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপ করার কাজে এই ধরনের কম্পিউটারবব্যহার করা হয়।...........................................................................................................................................সফটওয়্যারঃকম্পিউটার চালানোর সময় কম্পিউটারকে যে সমস্ত নির্দেশনা প্রদান করা হয়। সেগুলোকে সম্মিলিতভাবে বলা হয় সফটওয়্যার। সংকির্ণ অর্থে সফটওয়্যারের বিকল্প নাম প্রোগ্রাম।Hardwareসমৃদ্ধ কোন কম্পিউটার যদিsoftwareরান না করানোহয় বা করানো না যায় তাহলে উক্ত কম্পিউটারকে কেবল লোহার বাক্স বলা চলে। আরপ্রোগ্রামের পটুটার উপর নির্ভর করেসঠিকoutputপ্রাপ্তি।তাই দেখা যায়, প্রোগ্রামই কম্পিউটারের প্রশংসার ধারক এবং বাহক। আর ব্যপক অথে কতিপয় প্রোগ্রামেরসমষ্টিই হলো. সময়ের চাহিদা মেটাতে সফটওয়্যার করাmodifyযায়।প্রোগ্রাম ওসফটওয়্যার এর মধ্য পার্থক্য কি?নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানের লক্ষে কম্পিউটারের ভাষার ধারাবাহিকভাবে লিখিত কমান্ড বা নির্দেশের সমষ্টিকে বলে প্র্রোগ্রাম ।পক্ষান্তরে কোন আসর্ম্পুণ কমান্ড বা নির্দেশের সমষ্টি, যা কোন সমস্যার সমাধান দেয় না তাকে প্রোগ্রম বলা যায় না । প্রোগ্রামে লিখিত কমান্ড বানির্দেশসমূহ টেক্সট ফাইলে সারিবদ্ধভাবে থাকে। প্রোগ্রাম রান করালে কম্পিউটার এই কমান্ড বা নির্দেশনাসমুহ পর্যয়ক্রমিকভাবে পালন করে এবং নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধন দেয়। সাধারনত প্রোগ্রামকেইসফটওয়্যার বলে। তবে মূলতঃ একাধিক প্রোগ্রামেরসমষ্টিকেই বলে সফটওয়্যার।সিস্টেম সফ্‌টওয়্যারঃকম্পিউটার হার্ডওয়ার ও সফ্‌টওয়ারকে কার্যকর করার নিমিত্তে ব্যবহৃত সাহায্যকারী পোগ্রাসমুহকে বলে সিস্টেম সফ্‌টওয়্যার।সিস্টেম সফ্‌টওয়্যারের সাহায্যে কম্পিউটারের হার্ডওয়ার ও সফ্‌টওয়্যারকে ণিয়ন্ত্রণ,তত্ত্ববধান ও পরিচালনা করা যায়।সিস্টেমসফ্‌টওয়্যার কম্পিউটার ও কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথেসম্পর্ক রক্ষা করে।সিস্টেম সফ্‌টওয়্যারের সাহায্যে কম্পিউটার পরিচালিত হয়।এছাড়াও সিস্টেম সফ্‌টওয়্যারব্যবহারকারীর প্রোগ্রামিং নির্দেশনা অনুবাদ,কম্পিউটার হার্ডওয়ার ও সফ্‌টওয়্যার এর ত্রুটি নিরসন ইত্যাদি কাজ করে থাকে।সিস্টেম সফ্‌টওয়্যারের শ্রেণীবিভাগঃসিস্টেম সফ্‌টওয়্র 

No comments:

Post a Comment

thanks for your comment